এশার নামাজ পড়ে ফজরে এসে মুসল্লিরা দেখেন মসজিদ বিলীন হয়ে গেছে
Monday, September 14, 2026
কক্সটিভি প্রতিনিধি::;
এবার মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দেওয়ানকান্দি এলাকায় অস্থায়ী বালুর বাঁধের ভেতরে পদ্মার পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল ইমাম আবু হানিফা জামে মসজিদ। এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা যে যার বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখেন পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পুরো মসজিদটি। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোতে মুন্সীগঞ্জের পদ্মা এখন উত্তাল। তীব্র স্রোতের আঘাতে নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙন। একের পর এক নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে বসতভিটা, স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সরেজমিনে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার দেওয়ানকান্দি, রাকিরকান্দি ও পূর্বরাখী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পদ্মার পাড়জুড়ে চলছে তীব্র ভাঙন। ভাঙন ঠেকাতে ওই এলাকায় অস্থায়ীভাবে বালুর বস্তা ফেলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। তবে গত কয়েক দিনের প্রবল স্রোতে ধসে পড়েছে সেই প্রতিরোধব্যবস্থার বড় অংশ। ভাঙন ঠেকাতে এখনো বালুর বস্তা ফেলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু নদীর স্রোত এতটাই তীব্র যে, প্রতিরোধব্যবস্থা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
এবার মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দেওয়ানকান্দি এলাকায় অস্থায়ী বালুর বাঁধের ভেতরে পদ্মার পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল ইমাম আবু হানিফা জামে মসজিদ। এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা যে যার বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখেন পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে পুরো মসজিদটি। উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোতে মুন্সীগঞ্জের পদ্মা এখন উত্তাল। তীব্র স্রোতের আঘাতে নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙন। একের পর এক নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে বসতভিটা, স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। সরেজমিনে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার দেওয়ানকান্দি, রাকিরকান্দি ও পূর্বরাখী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পদ্মার পাড়জুড়ে চলছে তীব্র ভাঙন। ভাঙন ঠেকাতে ওই এলাকায় অস্থায়ীভাবে বালুর বস্তা ফেলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। তবে গত কয়েক দিনের প্রবল স্রোতে ধসে পড়েছে সেই প্রতিরোধব্যবস্থার বড় অংশ। ভাঙন ঠেকাতে এখনো বালুর বস্তা ফেলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু নদীর স্রোত এতটাই তীব্র যে, প্রতিরোধব্যবস্থা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত দুই দিনের ভয়াবহ ভাঙনে রাকিরকান্দি এলাকার মাদানী কমপ্লেক্স মাদ্রাসার ইমাম আবু হানিফা জামে মসজিদটিও শেষ পর্যন্ত পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। রাতের আঁধারে যে মসজিদে শেষবার এশার নামাজ আদায় করেছিলেন মুসল্লিরা, কয়েক ঘণ্টা পর ফজরের সময় সেখানে গিয়ে তারা আর মসজিদটির কোনো চিহ্নই দেখতে পাননি। ওই মাদ্রাসার ছাত্র সোহেল বলেন, আমরা শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে মসজিদে এশার নামাজ পরে মাদ্রাসার ভিতরে ঘুমিয়ে ছিলাম। পরে ফজর নামাজ পড়তে এসে দেখি মসজিদটি নেই, নদীতে ভেঙে গেছে। এখন আমরা মাঠে নামাজ আদায় করছি।
স্থানীয় সাবেক জনপ্রতিনিধি (ইউপি সদস্য) মিজানুর রহমান দুদু বলেন, এখানে ছোট একটা নদী ছিলো। আমাদের কিছু লোক ড্রেজার চালাইয়া এখান থেকে মাটি কাটছে। কাইটা নদী গহীন করে ফেলছে। নদীটি বড় হয়ে গেছে। এতে এই এলাকার অনেক ক্ষতি হইছে। আমাদের খানকা মাদ্রাসাটির অনেক অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। খানকার মসজিদটিতে গত শুক্রবার এশার নামাজ পড়ছি। কিন্তু ফজর নামাজ পড়তে পারি নাই। মসজিদটি নদীতে ধ্বসে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, জেলার নদীগুলোতে পানির স্তর বৃদ্ধির প্রবণতা রয়েছে। নদীতে তীব্র স্রোত বইছে। তবে এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে পানি।



