তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ফ্রান্স-ইংল্যান্ড’

কক্সটিভি স্পোর্টস ডেস্ক:: বিশ্বকাপের শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে গেছে দুই দলেরই। তাই ফাইনালের আলো থেকে দূরে সরে এবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই দুই শিবিরের কণ্ঠে একই সুর, এই ম্যাচ তারা কেউই খেলতে চায়নি। শনিবার (স্থানীয় সময়) ফ্লোরিডার মিয়ামি গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই লড়াই। ম্যাচের আগে ফ্রান্সের ডিফেন্ডার ইব্রাহিমা কোনাতে অকপটভাবেই হতাশার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কেউই তৃতীয় স্থানের এই ম্যাচ খেলতে চাইনি। কিন্তু খেলার বিকল্প নেই। ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে। তাই আমরা ম্যাচটির অপেক্ষায় আছি, দেখা যাক কী হয়।’ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল ফ্রান্স। অন্যদিকে ১৯৬৬ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নেয় ফ্রান্স। আর আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হয়ে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের। এখন রোববারের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। তার আগে ইউরোপের দুই পরাশক্তি লড়বে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেলের জন্যও ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে তার রক্ষণাত্মক কৌশল সমালোচনার মুখে পড়লেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গুরুত্ব কমিয়ে দেখছেন না তিনি। টুখেল বলেন, ‘আগামীকালের এই ম্যাচে কেউই খেলতে চায় না। শেষ চারটি দলের সবাই নিউইয়র্কে ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল। কিন্তু এটি বিশ্বকাপের একটি আনুষ্ঠানিক ম্যাচ। ইংল্যান্ডের জন্য গত ৬০ বছরের মধ্যে সেরা ফল অর্জনের সুযোগ এটি। মানসিকতা এমন কিছু নয়, যেটা ইচ্ছামতো চালু বা বন্ধ করা যায়। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আমরা যে মানসিকতা দেখিয়েছি, সেটাই আবার প্রমাণ করার সুযোগ এটি।’ শুধু সম্মানের লড়াই নয়, ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও ম্যাচটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এখন পর্যন্ত আট গোল করে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সমান অবস্থানে আছেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে চারটি অ্যাসিস্ট থাকায় টাইব্রেকারে এগিয়ে আছেন মেসি, যেখানে এমবাপ্পের অ্যাসিস্ট তিনটি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যামও ছয়টি করে গোল নিয়ে এখনও এই লড়াইয়ে রয়েছেন।