কক্সবাজারে ১২,২৫১ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সফল করার জন্য কক্সবাজার চারটি সংসদীয় আসনে ১২,২৯১ জন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার রয়েছে ৪৫০৩ জন এবং পোলিং অফিসার ৭৭৪৮ জন। কক্সবাজার-১( চকরিয়া পেকুয়া) আসনের ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জেলার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ আ: মান্নান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজারের ৪টি সংসদীয় আসনে ৫৯৮টি ভোটকেন্দ্রের জন্য উক্ত ১২,২৫১ জন উক্ত ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ আ: মান্নান। এছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় দুইজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী কার্যক্রমের আচরণবিধি ও সমস্যা সমাধানের জন্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হয় সে বিষয়ে প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে ইলেকশন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন। একটি নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহনের জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলার চারটি সংসদীয় আসনে ১২২৫১ জন ভোট গ্রহন কর্মকর্তার উপজেলা ভিত্তিক নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ২২ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলার ৯৪০ জন প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার এবং ১৪৭ জন পোলিং অফিসারকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন। পেকুয়া উপজেলায় ৪৭টি ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার থাকবে ৩৬৭ জন, পুলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৬৩৪ জন। পেকুয়ার ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ২৫ জানুয়ারি ১দিন চলবে। কক্সবাজার সংসদীয় আসন ২ -(মহেশখালী ও কুতুবদিয়া) উপজেলায় ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে ২৬ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। মহেশখালী উপজেলার ৮৬ কেন্দ্রে প্রিসাইডি ও সহকারী প্রিসাইডিং নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৬৬৬ জন, পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১১৫১ জন। কুতুবদিয়া উপজেলার ৩৮ টি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ২৬৬ জন এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৫২ জন। ওই ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ চলবে ২৯ জানুয়ারি। কক্সবাজার সংসদীয় আসন ৩ - (ঈদগাঁও- কক্সবাজার সদর- রামু উপজেলায়) ভোট গ্রহন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ২ ফেব্রুয়ারী। ঈদগাঁও উপজেলার ৩৬ কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারি প্রিসাইডিং নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ২৬৫ জন এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৫৪ জন। কক্সবাজার সদরের ৮২ কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৬০১ জন এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ১০২৯ জন। রামু উপজেলার ৬৪ টি কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৮৮ জন এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৮৪২ জন। তাদের প্রশিক্ষণ চলবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি দুই দিন । কক্সবাজার -৪ (উখিয়া -টেকনাফ) আসনে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে ৩ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হবে ৪ ফেব্রুয়ারি। ওই আসনের উখিয়া উপজেলায় ৫৪ টি ভোটকেন্দ্রে ৪৩৯ জন প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৭৬৪ জন। টেকনাফ উপজেলার ৬১ কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৭১ জন এবং পোলিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৮১৫ জন। কক্সবাজার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ১২২৫১ জন ভোট গ্রহন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ ১৪ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। ১৩দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুইটি ব্যালোটে ভোট গ্রহণ করা হবে। একটি হচ্ছে নির্বাচনী এবং অপরটি হচ্ছে গণভোটের ব্যালট পেপার। জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ৫৯৮টি ভোট কেন্দ্রে ৩৬৮৯টি ভোট কক্ষে ১২২৫১ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ১৮ লাখ ২৯ হাজার ভোটারের ভোট গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আ: আজিজ।