রামুতে ৩০ টাকার বিনিময়ে এক শিশুকে বলাৎকার করার অভিযোগ উঠেছে আমান উল্লাহ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক রামু:: কক্সবাজারের রামুর খুনিয়াপালং ইউনিয়নে ৯ বছরের এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে আমান উল্লাহ (৫০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনা জানাজানি হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকা থেকে লাপাত্তা রয়েছে। গত শুক্রবার (২১ আগষ্ট) দুপর ২টার দিকে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মির্জা আলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ ওই এলাকার জাবের আহাম্মদের ছেলে। শিশুটির পরিবার জানায়, শিশুটি শুক্রবার তার নানার বাড়িতে ঘুরতে যায়। দোকান থেকে নাস্তা কিনে বাড়ি ফেরার পথে তাকে ফুসলিয়ে পাশের একটি মাছ চাষের ছোট বাসায় নিয়ে গিয়ে তাকে বলাৎকার করা হয়।সেই চিৎকার করলে তাকে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়।পরে তাকে ৩০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়। পরিবারের ভাষ্য, শিশুটি আহত অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিস্তারিত জানালে তাকে রক্তক্ষরণ অবস্থায় রামু উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পরে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে দেয়। বর্তমানে শিশুটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও একটি ৫ বছরের শিশুকে বলাৎকার করা হয়েছে এবং বিষয়টি টাকার বিনিময়ে মীমংশা করা হয়েছে।সেই অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বয়স ৫০ বছর।কিন্তু সেই এখনো অবিবাহিত রয়েছে। তাই এরকম ঘটনা বার বার করে আসছে। পরিবারের দাবি এ ঘটনায় এলাকায় জানাজানি হওয়ার পরে স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।পরিশেষে এ ঘটনায় বর্তমানে রামু থানায় একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক।এবং অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার। এ বিষয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানান, রামুর খুনিয়াপালং এলাকায় যে শিশুটিকে বলাৎকার করা হয়েছে রামু থানায় একটি এজেহার দিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি এ জাতীয় অপরাধে স্থানীয়ভাবে সালিশ-সংবিধানের কোনো সুযোগ নেই এবং এ বিষয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের করা হবে।