নিজস্ব প্রতিবেদক:
পিতৃগৃহ ধরাধাম থেকে পতীগৃহ কৈলাসে ফিরে যাবেন দেবী দুর্গা। বিদায়ের সেই মুহুর্তের চলছে প্রস্তুতি।
সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে প্যান্ডেল নির্মানের কাজ প্রায় শেষ। শব্দযন্ত্র স্থাপন আর অন্যান্য কাজও প্রায় শেষের দিকে। চলছে শেষ মুহুর্তের সাজসজ্জা।কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চুড়ান্ত করতে নিরলসভাবে চলছে কাজ। কক্সবাজার পৌরসভা এ বিসর্জন অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে। প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে পৌরসভার প্রশাসক মো: শামীম আল ইমরান জানান, সুন্দর ভাবে প্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে যা যা প্রয়োজন সবই করা হবে।
বিজয়া দশমীর এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে লক্ষাধিক মানুষ। সাথে দেশী-বিদেশী পর্যটকতো আছেই। সব মিলিয়ে বুধবারের প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে সমুদ্র পরিনত হবে জনসমুদ্রে।
জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের অর্থ সম্পাদক স্বপন গুহ জানিয়েছেন, দেশের এই বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সরকারের ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
এছাড়াও সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রাজনীতিবিদ, পুজা উদযাপন পরিষদের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন দাশ জানিয়েছেন, এবার জেলায় ৩২৪ টি মন্ডপে দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার মধ্যে ১৫৪ টি প্রতিমা ও ১৭০ টি ঘট পূজা।
পুজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, এবার সৈকতে ৫০ থেকে ৬০ টি মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে। সেই হিসেবে তিনশোর অধিক প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে সাগর জলে।
সে লক্ষ্যে সাগর জলে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর জন্যে প্রস্তুত রাখা হবে লাইফ গার্ড সদস্যদের। এছাড়াও রামুর বাঁকখালী নদী এবং মাতামুহুরি নদীতেও একই সময়ে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে।
অন্যদিকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিমা পরিবহন থেকে শুরু বিসর্জন অনুষ্ঠানের সার্বিক নিরাপত্তায় থাকবে আইন শৃংখলা বাহিনী।
বুধবার বিকেলে সাগর জলে প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন সম্প্রদায়ের এই শারদীয় দুর্গোৎসব।



