নিজস্ব প্রতিবেদক ::
কক্সবাজার শহরের খুরুশকুল পুরাতন ব্রিজসংলগ্ন মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, অশালীন আচরণ, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে গালিগালাজ এবং মারধরের হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইকবাল মালেক নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগকারী সাংবাদিক শাহেদ মিজান সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাংগঠনিক সম্পাদক, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য এবং কক্সবাজার নিউজ-সিবিএন-এর বার্তা সম্পাদক ও দৈনিক আজাদীর জেলা ব্যুরো প্রধান।
অভিযোগ মতে, খুরুশকুল পুরান ব্রিজসংলগ্ন মোড়ে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে একটি সড়ক দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিক শাহেদ মিজানকে বাধা দেন ইকবাল মালেক। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে অশালীন আচরণ করা হয় এবং ধারণ করা ভিডিও প্রকাশ না করতে হুমকি দেন।
শাহেদ মিজানের দাবি, ঘটনার সময় ইকবাল মালেক ধূমপান করছিলেন। ভিডিওতে তাঁর ধূমপানের দৃশ্য ধারণ হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে এমন আচরণ করেন। এ সময় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে লক্ষ্য করে গালিগালাজ এবং মারধরের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাংবাদিক শাহেদ মিজান বলেন, এ সময় নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন ইকবাল মালেক। এরপর কক্সবাজারের সাংবাদিক সমাজ ও গণমাধ্যম ধরে অশালীন গালি-গালাজ করেন৷ এসময় তাকে অপ্রকৃতিস্থ দেখা গেছে। সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
সংবাদকর্মী শাহেদ মিজানের প্রতি মালেকের এমন জঘণ্য আচরণ, পেশাগত কাজে বাধা, গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সমাজ ধরে গালিগালাজ করায় ইকবাল মালেকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, ইকবাল মালেক নামে যে ব্যক্তি সাংবাদিক শাহেদ মিজানের সাথে এমন আচরণ আচরণ করেছেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে পুলিশের উর্ধ্বতন মহলের সাথে আলোচনা হয়েছে।



