নির্বিচারে পাহাড় কাটা: দুই সচিবসহ সরকারি ১২ কর্মকর্তাকে বেলার চিঠি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:: কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পাশে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ছাইল্ল্যাতলী এলাকায় নির্বিচারে পাহাড় কাটা বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনী চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। চিঠিতে, দ্রুত সময়ের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়। একইসাথে কাটা পাহাড়ে নির্মিত স্থাপনা অপসারণ করে দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের মাধ্যমে পাহাড় সুরক্ষিত রাখার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি পাহাড় কাটার উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি প্রদর্শন করার অনুরোধ জানানো হয়। বেলার আইনজীবী জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এ চিঠি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। যাদেরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভুমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার,পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক, বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক এবং কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা।কক্সবাজার পর্যটন গাইড চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির জনস্বার্থে দায়েরকৃত একটি রিট মামলার প্রেক্ষিতে কক্সবাজারসহ চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসাথে পাহাড় কেটে কোন আবাসন কিংবা ইটভাটা করা হয়ে থাকলে তা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০১২ সালের ১৯ মার্চ এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সংবাদ পত্রের বরাত দিয়ে বেলার চিঠিতে বলা হয়েছে,রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ছাইল্ল্যাতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি পাহাড় বর্তমানে নির্বিচারে কাটা চলছে। স্থানীয় সংঘবদ্ধ চক্র এসব পাহাড় কাটায় জড়িত। পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিমানা বা বন বিভাগের মামলা– কিছুতেই চক্রটিকে ঠেকানো যাচ্ছে না। ইংরেজি সংবাদ চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে বেলার আইনজীবী জাকিয়া সুলতানা বলেন, কক্সবাজারে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও পাহাড় কাটা চললে উচ্চ আদালতের নজরে আনা হবে।