কৃষক দলের সহযোগীতায় ৭ বস্তা সার উদ্ধার বাকি সার কোথায়?
Friday, June 26, 2026
সাংবাদিকের সহযোগিতায় মিয়ানমারে সার পাচারের অভিযোগ।
কৃষক দলের সহযোগীতায় ৭ বস্তা সার উদ্ধার বাকি সার কোথায়?
পাচার কারীর বক্তব্যে বেরিয়ে আসলো মুল রহস্য!
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ক্লাসপাড়া এলাকায় ২১ বস্তা ইউরিয়া সার মজুদকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কক্সবাজারের রামু এলাকা থেকে পালংখালীর উদ্দেশ্যে নেওয়া ইউরিয়া সার কোটবাজার উত্তর স্টেশন এলাকায় স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে পরে ক্লাসপাড়া এলাকায় মজুদ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ক্লাসপাড়া এলাকার আলী হোসেন (পিতা- সুলতান আহমদ) এর বাড়িতে ২১ বস্তা ইউরিয়া সার মজুদ করা হয়। পরে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে পালংখালী এলাকার বাবু ও মোহাম্মদ হাচন নামে দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উখিয়ার একজন সাংবাদিকের মদদে মিয়ানমারে সার পাচারের সঙ্গে জড়িত পাচারকারী প্রতিদিনের ন্যায় মায়ানমারে সার পাচার কালে স্থানীয় লোকজন গতিরোধ করে তাদের আটকায়,পরে তারা কৌশলে সার ফেলে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মজুদকৃত সার উদ্ধার করে পুনরায় মিয়ানমারে পাঠানোর কাজে সহযোগিতা করেন উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাংবাদিক ইমরান আল মাহমুদ।
এদিকে স্থানীয় বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় ৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হলেও বাকি ১৪ বস্তা সার পাচারকারী হাসানের জেঠাতো ভাই সাংবাদিক ইমরানদের নিয়ন্ত্রণে আছে বলে মুঠোফোনে জানান।
পাচারকারী হাসান আরও জানান-ভাইয়া (সাংবাদিক ইমরান) থানায় গেছে মাল উদ্ধার করতে তিনি সকল সমস্যা সমাধান করবে,এদিকে জব্দ হওয়া সার থানা থেকে উদ্ধার করতে রাত দিন থানায় লবিং চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে,অপরপাচারকারী মরিচ্যা বাজারের সিএনজি চালক আজিজুল হক
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজনের দাবি,সীমান্তপথে বাংলাদেশ থেকে সারসহ বিভিন্ন পণ্য মিয়ানমারে পাঠানো হয় এবং এর বিনিময়ে মাদকদ্রব্য দেশে আনা হয়,তবে এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় মুরব্বিদের অভিযোগ, কোটবাজার উত্তর স্টেশন ও হাইওয়ে সড়ককে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ও সাংবাদিকতার আড়ালে কিছু অপ-সাংবাদিক দীর্ঘদিন ধরে সার,মাদক ও বিভিন্ন মালামাল ছিনতাই,লুটপাট এবং পাচারের সঙ্গে জড়িত,তারা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



