লিংকরোড-বিসিককে জড়িয়ে "কথিত জঙ্গল সলিমপুর" ও বিএনপি নেতা লিয়াকতের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর ব্যাখ্যা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : কক্সবাজারে আরেক জঙ্গল সলিমপুর, নেতৃত্বে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী সিন্ডিকেট; ঝিলংজার বিসিক মুহুরী পাড়া এলাকা নিয়ে কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে উল্লেখিত শিরোনামে মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু অপপ্রচারমুলক সংবাদের বিরুদ্ধে ঝিলংজাবাসী তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি এসব মিথ্যা সংবাদ যারা লিখেছেন তাদেরকে আগামীতে এ ধরনের বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মানহানিকর সংবাদ প্রচারে আরও সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা লিয়াকত আলীর শুভাকাঙ্ক্ষীরা। আসল কথা হচ্ছে, কক্সবাজারের লিংকরোড, ঝিলংজার মুহুরী পাড়া এলাকার পরিচিত মুখ লিয়াকত আলী—একজন সাহসী, নীতিবান এবং সমাজ সচেতন মানুষ হিসেবে যিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করে আসছেন। এই জনপদের সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন ব্যক্তি নন, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। যখনই কোথাও ভূমিদস্যু, ডাকাতি কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ছায়া নেমে আসে, তখনই নির্ভীক কণ্ঠে প্রতিবাদ জানান লিয়াকত। নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই যেন তার জীবনের মূলমন্ত্র। দীর্ঘ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি' অর্থাৎ বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের একজন ত্যাগী নেতা' লিয়াকত আলী সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন। বিগত সরকারের আমলে অনেক নির্যাতনের হয়রানির শিকার হওয়ার পরও সবসময় গরিব অসহায় মানুষের পাশে ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, সমাজের অসহায় ও নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি সবসময় প্রস্তুত থাকেন। ভূমি দখল, চাঁদাবাজি কিংবা যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার এই সাহসী অবস্থান অনেক সময় তাকে মৃত্যুর মুখে ফেলেছে, কিন্তু তবুও তিনি পিছু হটেননি। লিয়াকত আলীর মতো মানুষরা সমাজের জন্য এক অনুপ্রেরণা। যেখানে অনেকেই ভয়ে মুখ বন্ধ রাখে, সেখানে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় কণ্ঠে কথা বলেন। তার এই ভূমিকা শুধু কক্সবাজার নয়, পুরো সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে—অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। বলা যায়, লিয়াকত আলী একজন সাধারণ মানুষ হয়েও অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার মতো সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, ততই সমাজ হবে নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক এবং মানবিক। উপজেলার লিংক রোড জিলংজার এলাকার এক উজ্জ্বল নাম—লিয়াকত আলী। সাধারণ জীবনযাপন করলেও অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, সাহসিকতা এবং ন্যায় পরায়ণতার জন্য তিনি এলাকাবাসীর কাছে আজ এক আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সমাজের এমন এক সময়ে, যখন অন্যায়-অবিচার, ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অনেক ক্ষেত্রে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়, ঠিক সেই সময়ে নির্ভীক কণ্ঠে প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন লিয়াকত আলী। তিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেন না, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করাই তার নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, যেকোনো অন্যায় ঘটনার খবর পেলেই তিনি সবার আগে সেখানে ছুটে যান। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, নির্যাতিতদের সাহস যোগানো এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া—এসব কাজ তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাচ্ছেন। তার এই মানবিকতা এবং সাহসিকতা তাকে আলাদা একটি মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। লিয়াকত আলী শুধুমাত্র একজন প্রতিবাদী মানুষই নন, তিনি একজন মানবিক নেতা হিসেবেও পরিচিত। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজকে পরিবর্তন করতে হলে সবাইকে একসাথে এগিয়ে আসতে হবে। তাই তিনি সবসময় তরুণ সমাজকে উৎসাহিত করেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং ন্যায়ের পথে চলতে। তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন একটি বার্তা বহন করে—ভয়কে জয় করেই সত্য প্রতিষ্ঠা করতে হয়। বহু প্রতিকূলতা, হুমকি কিংবা চাপের মুখেও তিনি তার অবস্থান থেকে একচুলও সরে দাঁড়াননি। বরং প্রতিটি বাধা তাকে আরও দৃঢ় করেছে, আরও সাহসী করেছে। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন নির্ভরতার নাম। কারো জমি দখল হয়ে গেলে, কেউ সন্ত্রাসীদের ভয়ে আতঙ্কিত হলে কিংবা কেউ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হলে—প্রথমেই যে নামটি মানুষের মনে আসে, তা হলো লিয়াকত আলী। এই আস্থা অর্জন করা সহজ নয়, এটি আসে দীর্ঘদিনের সততা, সাহস এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকে: লিয়াকত আলী একজন সাধারণ মানুষ হলেও তার আদর্শ, সাহস এবং মানবিকতা তাকে অসাধারণ করে তুলেছে। তার মতো মানুষদের জন্যই সমাজে এখনো ন্যায়, সত্য এবং মানবিকতার আলো জ্বলছে। তিনি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি একটি অনুপ্রেরণার নাম—যিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, ইচ্ছাশক্তি ও সততা থাকলে একজন মানুষ পুরো সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। লিয়াকত আলীর জীবনের আরেকটি উজ্জ্বল দিক হলো তার নিঃস্বার্থতা ও সততা। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সবসময় সমাজের কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েছেন। অনেকেই যেখানে নিজের নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা ভেবে নীরব থাকেন, সেখানে তিনি নির্ভয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন—এটাই তাকে সত্যিকারের সাহসী মানুষ হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। তার মানবিক গুণাবলি তাকে মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে দিয়েছে। অসহায় মানুষের কষ্ট তিনি নিজের কষ্ট হিসেবে অনুভব করেন। কারো বিপদের খবর পেলেই ছুটে যাওয়া, সমস্যার সমাধানে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা এবং সবার সঙ্গে সদাচরণ—এসব গুণ তাকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এলাকার তরুণদের কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তার কাছ থেকে তারা শিখছে কিভাবে অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হয়, কিভাবে সত্যকে ভালোবাসতে হয় এবং কিভাবে সমাজের জন্য কিছু করতে হয়। তার জীবন সংগ্রাম এবং সাহসিকতার গল্প নতুন প্রজন্মকে সৎ ও ন্যায়ের পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করছে। সবচেয়ে বড় কথা, লিয়াকত আলী কখনো প্রচারের জন্য কাজ করেন না; বরং মানুষের কল্যাণই তার একমাত্র লক্ষ্য। তার কাজের মধ্যেই তার পরিচয়, তার আদর্শের মধ্যেই তার শক্তি। তিনি প্রমাণ করেছেন—একজন ভালো মানুষই পারে একটি সমাজকে আলোর পথে এগিয়ে নিতে। তার এই নিরলস প্রচেষ্টা, সাহসিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ নিঃসন্দেহে সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। ভবিষ্যতেও তিনি এভাবেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবেন এবং মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যাবেন—এটাই সবার প্রত্যাশা। আমরা এ ধরনের অপপ্রচারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। প্রতিবাদকারী- ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সফল মেম্বার লিয়াকত আলীর পক্ষে স্থানীয় জনসাধারণ।