প্রচারিত সংবাদ নিয়ে এড. অলি উল্লাহ'র বক্তব্য...

বিশেষ প্রতিবেদক::: কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণের আইনজীবী ভবনে সংগঠিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অলি উল্লাহ নামে একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় এজাহার জমা দেন আবদুল জলিল নামে এক ভুক্তভোগী। হামলার শিকার ওই বিচারপ্রার্থীর মৌখিক একটি বক্তব্য থানার আঙ্গিনা থেকে ধারণ করেন কক্সটিভি'র প্রতিবেদক। যা পরবর্তীতে শুধুমাত্র আহত ব্যক্তির বক্তব্য আকারে চ্যানেলে প্রচারিত হয়। এরপর ওই সংবাদের কমেন্টবক্স টাইমলাইনে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার মূল কারণ বর্ণনা দিয়ে একটি প্রতিবাদ এবং ব্যাখ্যা প্রদান করেন। যা নিন্মে হুবহু তুলে ধরা হলো- "সম্প্রতি একটি মামলায় আমার মক্কেল জামিন লাভ করার পর তাঁর স্ত্রী ছোট দুটি সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে জামিননামা সম্পাদনের জন্য আদালত প্রাঙ্গণে আসেন। জামিননামার কার্যক্রম সম্পন্ন করে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে থেকে সিএনজিতে ওঠার সময় এক ব্যক্তি তাঁর একটি শিশুকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে ওই নারী চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে ঘটনাস্থলে তাঁকে ঘিরে রাখেন। বিষয়টি জানতে পেরে ওই নারী আমাকে ফোন করলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করি। এ সময় ওই ব্যক্তি আমাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় আমি ওই নারী ও তাঁর সন্তানদের নিরাপদে এনেক্স ভবনের সামনে নিয়ে আসি। কিন্তু ওই ব্যক্তিও পিছু নিয়ে সেখানে এসে পুনরায় অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। উপস্থিত আইনজীবী ও অন্যান্য ব্যক্তিরা তাঁকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি আরও বেপরোয়া আচরণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটে এবং আমরা সেখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে জানতে পারি, উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট মামলার বাদী এবং তাঁর পরিচয় ও ঠিকানা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে। আমার জানা মতে, তিনি কক্সবাজারের লারপাড়া এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করে পরিচয়পত্র গ্রহণের পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রেশন সহ সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। মূলত আমার মক্কেল জামিন লাভ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে উক্ত ব্যক্তি আমাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও অপমানজনক আচরণ করেন। পরবর্তীতে নিজের আচরণ আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে তাঁর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমি মনে করি। আমি উক্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক এবং কেউ মিথ্যা অভিযোগ করে কোনো আইনজীবীর সম্মান ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। সত্য কখনো চাপা থাকে না। নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা ও সত্য উদঘাটিত হবে।" প্রতিবাদকারী, এডভোকেট অলি উল্লাহ